advertisement
আপনি পড়ছেন

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি বলেছেন, আফগানিস্তানের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মধ্যেই অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (ইসিও) সদস্যদের মধ্যে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নির্ভরশীল। আসন্ন শীতে দেশটিতে যে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তাতে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশটি পুরোপুরি পতনের মুখে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতি বড় ধরনের আঞ্চলিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।

arif alvi 1পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি

তুর্কমেনিস্তানে অনুষ্ঠিত ইসিও-এর রাষ্ট্রপ্রধানদের ১৫তম শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে শান্তি ইসিও দেশগুলোর শান্তির জন্য অপরিহার্য। তাই আফগান জনগণকে বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সাহায্য করা উচিত।

আলভি বলেন, ‘আফগানিস্তানের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই করার জন্য আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। কারণ একতরফা নিষেধাজ্ঞা মানুষের দুর্ভোগকে আরো বাড়িয়ে তোলে এবং পুরো অঞ্চলের জন্য বিরূপ পরিণতি ডেকে আনে। আফগানিস্তান অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়লে সেখান থেকে চারপাশের দেশগুলোতে শরণার্থীদের আসার আশঙ্কা রয়েছে।

alvi erdoganবৈঠকে আরিফ আলভি ও রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

পাকিস্তান এরই মধ্যে ৪০ লাখ আফগান শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে উল্লেখ করে আলভি বলেন, এর পরে আমাদের আর শরণার্থী গ্রহণ করার সুযোগ নেই।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি দুই দিনের সফরে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানীতে আশগাবাতে তুরস্ক-ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে বৈঠক করেন।

রোববার আলভি তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হন। এছাড়া দুই নেতা অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থাকে (ইসিও) এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য আরো শক্তিশালী করার বিষয়েও একমত হন এবং ইসলামফোবিয়া বন্ধ করতে এই অঞ্চলের বিশেষ করে ইসলামিক দেশগুলির সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। এ সময় কাশ্মির ইস্যুতে তুরস্কের নীতিগত অবস্থানের জন্য তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।