advertisement
আপনি পড়ছেন

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন, জেসিপিওএ, চুক্তির কোনো বিকল্প নেই। বিকল্প প্রস্তাবগুলোর ফলে চুক্তিটি রক্ষা কঠিন হয়ে পড়ছে। জেসিপিওএ-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই চুক্তির মধ্যে রয়েছে। বুধবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এ কথা বলেছেন। আইএফপির খবর।

maria sarapova russiaরাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা

জাখারোভা বলছেন, 'প্ল্যান বি' বা অন্য কোনো পরিকল্পনা ইরানের পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চরম বাধা হয়ে দাঁড়াবে। বিকল্প কোনো আলোচনা চুক্তি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে দেশগুলোকে। অবশ্যই তা বিশ্বের জন্য সহায়ক নয়। এমনকি আলোচনার পরিবেশ বিষাক্ত হতে পারে।

রুশ কূটনীতিক বলছেন, ভিয়েনা আলোচনায় জড়িত সকল পক্ষই এজিপিওএ বাস্তবায়নের ব্যাপারে সম্মত। সবাই চুক্তিটি পুনর্বহাল করতে চায়। আলোচনা চলমান রয়েছে। কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলাটা মূলত ভুল। আমরা আশা করি, চুক্তি না হওয়ার পেছনে যেসব কারণ রয়েছে তা অনুসন্ধান করা হবে।

iran nuclear enrichmentইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ফাইল ছবি

ইরানের পরমাণু চুক্তি পুনর্বহালে চলতি বছরের জুন মাসে ভিয়েনায় আলোচনা স্থগিত হয়ে যায় দেশটির জাতীয় নির্বাচনের কারণে। ইরানে এখন নতুন সরকার। জেসিপিওএ চুক্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সপ্তম দফা আলোচনা ভিয়েনায় ২৯ নভেম্বর শুরু হয়। আগের ছয় দফায় আলোচকরা নির্ধারণ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং তেহরানকে বাধ্যবাধকতায় ফিরে যেতে হবে।

জেসিপিওএ চুক্তি ২০১৫ সালে কার্যকর হয়। ওই চুক্তির আওতায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে বিশ্বনেতারা কিছু সীমাবদ্ধতা বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প সরকার তার দেশকে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে ইরানও শর্ত ভেঙে ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে।