advertisement
আপনি পড়ছেন

রাশিয়া-ইসলামিক ওয়ার্ল্ড (কাজান সামিট) সামিটে এবার অংশ নিয়েছে ৪৪টি মুসলিম দেশ। ১৩তম আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শীর্ষ সম্মেলনটি রুশ প্রজাতন্ত্র তাতারস্তানের কাজান সিটিতে গতকাল বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের সাথে সহযোগিতার জন্য রাশিয়ার বৃহত্তম প্ল্যাটফর্ম এটি। বার্নামা নিউজ।

kazan summitকাজান সামিট

তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলনে মোট ৫৯টি দেশের অংশগ্রহণ রয়েছে। কাজান ‘ওআইসি যুব রাজধানী’র মর্যাদা পেয়েছে। মালয়েশিয়ায় রাশিয়ার দূতাবাস বার্নামাকে জানিয়েছে, ১৫০টি রাশিয়ান এবং বিদেশি কোম্পানি এই শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে। যার মধ্যে হালাল এক্সপো ও বিশ্ব হালাল দিবসের কর্মসূচি রয়েছে, যেটিকে বিশ্ব হালাল শীর্ষ সম্মেলনের অন্যতম ইভেন্ট হিসেবে ধরা হচ্ছে।

সম্মেলনে প্রাচীন মুসলিম রাষ্ট্র ‘ভোলগা বুলগেরিয়া’ নিয়ে স্মৃতিচারণ করবেন অংশগ্রহণকারীরা। এ নিয়ে আলাদা কর্মসূচিও রয়েছে। তৎকালীন ভোলগা বুলগেরিয়া রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল মুসলিম বণিকদের যাতায়াত ও তাদের বংশবৃদ্ধির কারণে। ওই অঞ্চলটি এখন আধুনিক ইউরোপের অংশ।

oic logoওআইসি

শীর্ষ সম্মেলনটির আয়োজন করছে তাতারস্তান বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা। আয়োজকের মতে, কাজান সামিটের মূল উদ্দেশ্য হল রাশিয়ান ফেডারেশনের অঞ্চল এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করা। রাশিয়ায় ইসলামী আর্থিক ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নও এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

রাশিয়ার প্রায় ১৪৫ মিলিয়ন লোকের মধ্যে প্রায় ২০ মিলিয়ন মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে। রাশিয়া-ইসলামিক ওয়ার্ল্ড প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে। এর মাধ্যমে রাশিয়া এবং ওআইসির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। রাশিয়া ২০০৫ সাল থেকে ওআইসির পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে।

তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি রুস্তম মিন্নিখানভের সভাপতিত্বে ১৩তম শীর্ষ সম্মেলনে রাশিয়ান এবং বিদেশি কোম্পানিগুলোর শীর্ষ পরিচালকরা একত্রিত হয়েছেন। মূলত রাশিয়া-ইসলামিক ওয়ার্ল্ড স্ট্র্যাটেজিক ভিশন গ্রুপের কাঠামোর মধ্যে এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারি কর্তৃপক্ষ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, দূতাবাস, সংসদ সদস্য, নেতৃস্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীরা অংশ নিয়েছেন।