advertisement
আপনি পড়ছেন

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ১২টি সামরিক ইউনিট তৈরি করবে রাশিয়া এবং সেগুলো দেশের পশ্চিমে মোতায়েন করা হবে। ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাশিয়া। খবর আনাদোলু।

sergey shoyguরাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়েগু

গতকাল শুক্রবার মস্কোতে একটি নিরাপত্তা সভায় বক্তৃতাকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়েগু এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রুশ সীমান্তের কাছে ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসাবে এ ইউনিট মোতায়েনের কাজটি যথাযথ পদক্ষেপ হতে পারে।

নিকটতম প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আবেদন করেছে উল্লেখ করে শোয়েগু বলেন, এসব কারণে রাশিয়ার পশ্চিম এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে। আর তা প্রতিকারে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের জন্য এ বছরের শেষ নাগাদ ১২টি সামরিক ইউনিট এবং সাব-ইউনিট গঠন করা হবে।

russia to deploy 12 military unitsসীমান্তে আরো ১২টি ইউনিট মোতায়েন করবে রাশিয়া

রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তের অন্যান্য হুমকি সম্পর্কে শোয়েগু ইউরোপে মার্কিন কৌশলগত বোমারু বিমানের ক্রমবর্ধমান ফ্লাইটের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি গত আট বছরে ১৫ গুণ বেড়েছে। একেক বছর এটি ৩ থেকে ৪৫টি করে বেড়েছে। একই সাথে বাল্টিক সাগরে গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রসহ আমেরিকান জাহাজের পরিদর্শনের হারও অনেক বেড়েছে। এখনো তাদের ব্লকের ৩০টি দেশের ৪০ হাজার সেনা সদস্যের অংশগ্রহণে একটি মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ সময় ইউক্রেন যুদ্ধের সবশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে শোয়েগু বলেন, লুহানস্ক মুক্তির কাছাকাছি এসে পড়েছে। রুশ সেনাবাহিনী স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্রের সামরিক বাহিনীর সাথে যৌথভাবে দোনেৎস্ক অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করেছে। মারিওপোল শহরের অবরুদ্ধ আজভস্টাল স্টিল প্ল্যান্ট থেকে সকল বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আত্মসমর্পণকারী ইউক্রেনীয় সেনাদের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৯০৮ হয়েছে।

ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করায় ইউক্রেনে বিশেষ অভিযান শুরু করেছিল মস্কো। লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান প্রায় তিন মাস ধরে চলছে। তবে পশ্চিমা বিশ্ব একে চরম আগ্রাসন হিসেবে দেখছে এবং এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা মস্কোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।