advertisement
আপনি পড়ছেন

মালির জান্তা নেতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেসিডেন্ট কর্নেল আসিমি গোইতা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করতে একটি নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন। এতে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি সাংবিধানিক শাসনে ফিরে এসেছে। দুই বছর আগে একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন গোইতা। টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

military leader signs election law to design mali s political arenaমালির জান্তা নেতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেসিডেন্ট কর্নেল আসিমি গোইতা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করতে একটি নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন

নতুন আইনের একটি অনুলিপি অনুসারে এপি জানাচ্ছে, গত শুক্রবার স্বাক্ষরিত আইনটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত গোইতাকে ক্ষমতায় রাখবে এবং পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পথ সুমগ করবে। নির্বাচনে জান্তা নেতারাও অংশ নিতে পারবেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে অস্বীকার করেছিল গোইতা সরকার। এ কারণে পশ্চিম আফ্রিকা আঞ্চলিক জোট ইকোনমিক কমিউনিটি অফ ওয়েস্ট আফ্রিকা স্টেটস (ইকোওয়াস) মালির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

তবে মালি এবং ১৫ সদস্যের ইকোওয়াস নেতাদের দুই বছর পর নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। সময়টি খুব দীর্ঘ বলে মনে করে জোটটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইনটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে পরিচালিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

অন্তর্বর্তী গোইতা সরকার গত ৬ জুন একটি ডিক্রি জারি করে। সেখানে বলা হয়, চলমান সরকার পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের জন্য দুই বছর সময় চায়। সময়টি ২০২২ সালের মার্চ থেকে গণনা শুরু হবে। এনিয়ে ইকোওয়াস জোটের সাথে আলোচনাও করে সামরিক প্রেসিডেন্ট গোইতার প্রতিনিধিরা।

মালিতে স্থিতিশীলতা: রাষ্ট্রীয় মিডিয়া অনুসারে, মালি সাংবিধানিক শাসনে ফিরে যাওয়ায় স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। তবে রিপাবলিক অ্যান্ড ডেমোক্রেসির ইউনিয়নের যুব সভাপতি আব্দুর রহমান দিয়ারা বলছেন, নির্বাচনে জান্তা নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বৈধতা দেওয়া হয়েছে আইনে। এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে লাইনচ্যুত করতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আর যাই হোক, আইনটি দেশকে একত্রিত করতে এবং বর্তমান নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করবে। মরক্কোভিত্তিক অর্থনীতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধকারী সংস্থা পলিসি সেন্টার ফর নিউ সাউথের সিনিয়র ফেলো রিদা লায়ামমুরি বলছেন, আইনে গোইতার স্বাক্ষরের ফলে স্থিতিশীলতার লক্ষণগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। এটা বড় পাওয়া।