advertisement
আপনি পড়ছেন

রাশিয়ার সামরিক শিল্প ও স্বর্ণ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ জি-৭ সদস্যভুক্ত দেশগুলো। নিষেধাজ্ঞার আওতায় সামরিক শিল্পের ৭০টি পণ্য এবং ২৯ জন ব্যক্তিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসা করা বা আর্থিক লেনদেন করা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

biden and putin 1পুতিন এবং বাইডেন

জার্মানিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন থেকে এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সর্বশেষ পদক্ষেপটির মাধ্যমে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুতিনের নৃশংস আগ্রাসনের যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিকাশ ও মোতায়েনে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞাগুলো ইউক্রেনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত রুশ সামরিক ইউনিট এবং অফিসারদের লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সংস্থা রোস্টেক, প্রতিরক্ষা শিল্প ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রুশ সংস্থার জন্য মারাত্মক হবে এই নিষেধাজ্ঞা।

রাশিয়াকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করুন

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে বলেছেন, পুতিন ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের’ নেতৃত্ব দিচ্ছেন, এজন্য রাশিয়াকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। জাতিসংঘের টিম ক্রেমেনচুক শহরের শপিংমলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থান পরিদর্শন করার সময় এ আহ্বান জানান তিনি। টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভার্চুয়াল ভাষণে জেলেনস্কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইউক্রেনের মাটিতে রাশিয়ান দখলদারদের কর্মকাণ্ড তদন্ত ও দেশটিকে জবাবদিহি করার জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা দরকার। তা না হলে পুতিন তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থামাবেন না।

তিনি বলেন, রাশিয়াকে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে যা কিছু করা দরকার, সবকিছু আমাদের জরুরিভাবে করতে হবে। অন্যথায় রাশিয়ার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বাল্টিক রাজ্য, পোল্যান্ড, মোল্দোভাসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে ছড়িয়ে পড়বে। এমনকি এশিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়তে পারে। পুতিন সন্ত্রাসী হয়ে উঠেছেন। ইউক্রেনে রুশ বাহিনী প্রতিদিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।