advertisement
আপনি পড়ছেন

গত ৬ নভেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে স্থানীয় সাঁওতালদের সাথে পুলিশ ও চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে তিন সাঁওতাল নিহত ও চারজন আহত হয়।

santal house fire

সংঘর্ষের পরপরই সাঁওতালদের বাড়িঘরে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রথম থেকেই পুলিশই সাঁওতালদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বলে স্থানীয় সাঁওতালরা দাবি করলেও পুলিশ সবসময়ই তা অস্বীকার করে এসেছে।

তবে এবার বোমা ফাটিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। সংবাদমাধ্যমটি সম্প্রতি একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেটিতে পুলিশ সদস্যদেরকেই সাঁওতালদের বাড়ি-ঘরে আগুন দিতে দেখা যায়।

অবশ্য পুলিশ-সাঁওতাল সংঘর্ষের পর ওই ঘটনার তদন্ত করে একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেছিলেন। ওই প্রতিবেদনে তিনি লিখেন, আদিবাসী ও বাঙ্গালী উচ্ছৃঙ্খল জনতার কার্যকলাপে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অদিবাসীদের অবৈধ স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয়।

আল জাজিরার এমন ভিডিও প্রকাশের পরও সাঁওতালদের বাড়িতে আগুন দেয়ার কথা অস্বীকার করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত সরকার। তিনি বলেন, পুলিশ আগুন দিয়েছে এই কথার কোনো ভিত্তি নেই। বরং আগুন নেভানোর জন্যই পুলিশকে খবর দেয়া হয়েছিলো। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই সব পুড়ে শেষ হয়ে যায়।

অথচ আল জাজিরার ভিডিও প্রতিবেদনের ৩৬ সেকেন্ডের মাথায়ই একজন পুলিশকে সাঁওতালদের বাড়িতে আগুন দিতে দেখা গিয়েছে।

আগুনে বাড়ি ঘর পুড়ে যাওয়ার পর থেকে শত শত স্থানীয় সাঁওতাল এখন খোলা আকাশের নিচে গাছের ছায়ায় দিন কাটাচ্ছেন। যা আল জাজিরার ওই ভিডিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

আল জাজিরার ভিডিও প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আপনি আরও পড়তে পারেন

বাংলাদেশ বিমানে আবারও যান্ত্রিক ত্রুটি

গ্রামীণফোনের দূত হলেন মাশরাফি

বিএনপিকে ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি

নিউজিল্যান্ড- বাংলাদেশ সিরিজের পূর্ণ সূচি

২২ জেলায় আ.লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত