advertisement
আপনি দেখছেন

২২ দিন বন্ধ থাকার পর ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম খুলে দিলো সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে ফেসবুক খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ফেসবুক খোলা হলেও বন্ধই থাকছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবার। এ দুটিও ফেসবুকের সাথে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। 

facebook and bangladesh logo

গত ১৮ নভেম্বর সরকারের দুটি আলাদা নির্দেশনায় ফেসবুক-ভাইবার-হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের কয়েকটি মাধ্যম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে এই নির্দেশ দেয় সরকার।

ফেসবুক খুলে দেয়ার পিছনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ‘দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে নানা সমস্যা হচ্ছিলো। তাদের কথা মাথায় রেখেই ফেসবুক খুলে দেয়ার প্রয়োজন ছিলো। সজীব ওয়াজেদ এ কারণেই সরকারকে অনুরোধ করেছেন দ্রুত ফেসবুক খুলে দিতে।’

ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং আরো দুটি জনপ্রিয় ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করা নিয়ে সৃষ্টি হয় নানামুখী সমালোচনা। পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত নিয়ে সৃষ্টি হয় বিবাদেরও। ফেসবুক বন্ধ করার মাধ্যমে সাধারণের মত প্রকাশে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে অনেকে যুক্তি তুলে ধরেন। অনেকে আবার নিরপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখা প্রয়োজন বলেও মত দেন।

স্বাভাবিকভাবে ফেসবুক ও বন্ধ থাকা অন্য মাধ্যম ব্যবহার করা না গেলেও ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন দিয়ে অনেকেই এসব ব্যবহার করেছেন। এমনকি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও দেখা গেছে ফেসবুক স্টাটাস আপডেট করতে। এ নিয়েও নানা হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

জয়: দেশে আগামী বছর ফোর জি চালু হবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট

sheikh mujib 2020