আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 21 মিনিট আগে

মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নেত্রকোণার পাঁচ রাজাকারের রায়ের দিন বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল। বুধবার বিচারপতি শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন বলে জানান প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন মুন্নী। গত ২৮ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়।

crime law

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- আবদুল খালেক তালুকদার, শেখ আবদুল মজিদ ওরফে মজিদ মাওলানা (৬৬), মো. কবির খান (৭০), আবদুস সালাম বেগ (৬৮) ও মো. নূরউদ্দিন ওরফে রোদ্দিন (৭০)। এদের সবার বাড়ি পূর্বধলা উপজেলায়। আসামিরা প্রত্যেকেই পলাতক রয়েছেন।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বিচারপতি শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোখলেছুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নী এবং আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

মুন্নী জানান, এই মামলায় প্রথমে সাতজন আসামি ছিল। সাত আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল তদন্ত সংস্থা। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১২ আগস্ট সব আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওইদিনই এক আসামি আবদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ট্রাইব্যুনালে এই মামলার যুক্তিতর্কের সময় গ্রেপ্তারকৃত আবদুর রহমান (৭০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান। এর আগে এক আসামি আহমদ আলী (৭৮) অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আগেই ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর মারা যায়।

তিনি বলেন, ‘বাকি পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগই আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আদালতের কাছে আমরা তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) চেয়েছি।’

এই রাজাকারদের বিরুদ্ধে একাত্তরে ডা. হেম সুন্দর বাগচী হত্যা, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ একাধিক মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় এরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের বাড়িতে নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় বলে রাষ্ট্রপক্ষে অভিযোগ রয়েছে। ইউএনবি ।