advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রের আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। বুধবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে তিনি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন।

feni madrasa student

বুধবার নুসরাতের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। লাইফ সাপোর্টও তেমন কাজ করছিল না। এর কয়েক ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা তার মৃত্যুর খবরটি জানান। এর আগে এক সাক্ষাতকারে নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান এক সাক্ষাতকারে তার বোনের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

তিনি বলেন, তিন ভাইয়ের একটি মাত্র বোন। বড় আদরের বোন। আমরা শুধু চাই প্রিয় বোন ফিরে আসুক আমাদের মাঝে।' এমন বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই মৃত্যুর কাছে হার মানেন নুসরাত।

গত শনিবার সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান নুসরাত। এ সময় তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করেছে- এক ছাত্রীর এমন সংবাদে ভবনের চার তলায় যান তিনি। সেখানে বোরকা পরা ৪-৫ জন ছাত্রী তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে আনা শ্লীলতাহানির মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠান। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়।

এর আগে নুসরাতের মা বাদী হয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ তাকে ২৭ মার্চ গ্রেপ্তার করে। তিনি এখন কারাগারে রয়েছেন।

sheikh mujib 2020