advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 03 মিনিট আগে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আওতাধীন গ্রিন সিটি আবাসনের আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার চার মামলা দায়ের এবং এতে আসামি করা ১৩ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

ruppur corruptionরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিন সিটি

দুদকের একটি দল তাদের ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

গ্রেপ্তার ১৩ জন হলেন- পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল কবীর, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, এস্টিমেটর ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু সাঈদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রওশন আলী ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তাহাজ্জুদ হোসেন এবং মজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্ত্বাধিকারী আসিফ হোসেন ও সাজিন কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্ত্বাধিকারী শাহাদত হোসেন।

তাদের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনায় দায়ের করা চার মামলায় আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ের নামে প্রায় ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে গ্রিন সিটিতে কেনাকাটায় যে লাগামছাড়া দুর্নীতির চিত্র পাওয়া গেছে তাতে দেখা যায় একটি বালিশের পেছনে ব্যয় করা হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর বালিশটি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে ৭৬০ টাকা খরচ উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি বৈদ্যুতিক চুলা কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৭৪৭ টাকা আর তা নিচ থেকে ফ্ল্যাটে তুলতে লেগেছে ৬ হাজার ৬৫০ টাকা।

এভাবে শুধু আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। সেই সাথে নথিপত্রে দেখা যায়, প্রকল্পের সব পদেই অস্বাভাবিক বেতন-ভাতা ধরা হয়েছে। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020