advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে টিকা নিয়ে আসার একদম শুরুর দিকে এ নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। তবে সরকারের প্রচার-প্রচারণা আর মন্ত্রী-আমলাদের টিকা গ্রহণের পর দ্রুতই সেই দ্বিধা কেটে গেছে। টিকা গ্রহণের বিষয়টি পরিণত হয়েছে উৎসবে। কিন্তু উৎসবটি বেশিদিন স্থায়ী হলো না, গত প্রায় ১ সপ্তাহ ধরে পরিলক্ষিত হচ্ছে টিকাগ্রহণের নিম্নগতি।

corona vaccine 1

গত ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় করোনাভাইরাসের গণটিকাদান কর্মসূচি। সে সময় প্রতিদিন প্রায় দেড় লাখ মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করতেন। টিকাগ্রহণ করতেন তারচেয়ে কিছু কম মানুষ। এই গতি প্রায় ১ সপ্তাহ স্থায়ী ছিল। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে গড়ে প্রতিদিন আড়াই লাখ মানুষ নিবন্ধন করেছেন এবং টিকা নিয়েছেন গড়ে ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। বর্তমানে সেটা নেমে এসেছে প্রায় ১ লাখে!

৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৫২ জন করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে গড় নিবন্ধন ছিল ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৬ জন। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে নিবন্ধন এবং টিকাগ্রহণ-দুটোই বাড়তে থাকে। ১৫ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে গড়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮৫ জন। এ সময় দৈনিক টিকাগ্রহীতার সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৬ জন।

serum vaccine india

এরপরই ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিবন্ধন এবং টিকাগ্রহণে ভাটা পড়তে থাকে। গতকাল (১ মার্চ) সারাদেশে টিকা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩০০ জনকে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে যে দ্বিধা ছিল তা পুরোপুরি কেটে গেছে, এমনটা বলা যাবে না। শহুরে সচেতন শিক্ষিত সমাজই এতদিন টিকা নিয়েছেন। তাদের টিকাগ্রহণ শেষ হওয়ায় মূল সংখ্যাতেও ভাটা পড়েছে। এবার প্রান্তিক মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে হবে।