advertisement
আপনি দেখছেন

এই কয়েক দিন আগেও চলছিল টানা তাপপ্রবাহ। বৃষ্টির দেখার মিলছিল না। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির জন্য নামাজ আদায় করে মহান রব্বুল আ’লামীনের দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে। এর পর গত কয়েক দিন ধরেই দেশের কোথাও না কোথাও বৃষ্টি হচ্ছেই।

chattagram city over rain

তবে চট্টগ্রাম নগরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিটা যেন বেশিই হয়েছে। এ সময় সেখানে ২৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম নগরীর নিম্নাঞ্চল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়। আজ শুক্রবার সকালেও বৃষ্টি হয়েছে। এতে নগরীর কোনো কোনো এলাকার মানুষ আজ ঈদুল ফিতরের দিন পানিবন্দী ছিলেন।

জানা যায়, শুক্রবার সকালে ঘণ্টা দেড়েকের বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেট, খাতুনগঞ্জ, চকবাজার, প্রবর্তক মোড়, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ অন্যান্য নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে যায়। সেইসঙ্গে সড়ক ও অলিগলিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নিচতলার বাসা-বাড়ি এবং দোকান-পাটে পানি প্রবেশ করে।

অবশ্য বৃষ্টি থামার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে পানি। কিন্তু তার পরও মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতরে সংকটে পড়তে হয় নগরবাসীকে। কাদা ও ময়লা পানি মাড়িয়ে কিংবা অতিরিক্ত রিকশা ভাড়া দিয়ে নগরবাসীকে চলাচল করতে হয়।

chattagram city over rain inner

স্থানীয়রা জানান, প্রবল বৃষ্টির কারণে নগরীর অলিগলি, রাস্তা-ঘাটে পানি জমে যায়। ফলে বাসা-বাড়ি থেকে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। বলা যায়, এটা একটা পানিবন্দী ঈদ।

এদিকে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আবারো নগরীতে বৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া মধ্যরাতেও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে নগরীতে।