advertisement
আপনি পড়ছেন

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একের পর এক দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া করোনার সবচেয়ে ভয়ংকর ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন কড়া নাড়ছে বাংলাদেশের দরজায়। এমন মন্তব্য করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, সংক্রমণ কম থাকায় আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। আজ রোববার নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ সতর্কবার্তা দেন তিনি।

dr nazmul islamডা. নাজমুল ইসলাম, ফাইল ছবি

দেশে সংক্রমণের হার এখনো দুই শতাংশের নিচে উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ঘরের দরজাতে ওমিক্রন কড়া নাড়ায় এখনই সর্বোচ্চ সতর্কতা নিশ্চিত করা দরকার। তা নাহলে ওমিক্রনসহ কোনো ভ্যারিয়েন্টই যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হব আমরা।

ওমিক্রন মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, কমিউনিটির সবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশগ্রহণ দরকার। একে অন্যকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করা এবং সহায়তার মাধ্যমে এটি শতভাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় সবাইকে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।

omicron bangladeshওমিক্রন ও বাংলাদেশ

রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের কথা জানান অধ্যাপক নাজমুল। স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা, সঠিক উপায়ে মাস্ক পরা এবং টিকাদানের ক্ষেত্রে সকলের সহায়তা চান তিনি।

আফ্রিকার যেসব দেশে ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ হয়েছে, সেসব দেশ থেকে আসা যাত্রীদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্য যেসব দেশে একই ঘটনা ঘটবে, সে ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে একই পদক্ষেপ নেয়া হবে। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ও ইমপরট্যান্ট কেইস এক না হওয়ায় এমন বিধিনিষেধ দেয়া হচ্ছে, বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র।

দেশের ১৭ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থ রক্ষায় যেসব সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার, তা নিতে কখনোই কুণ্ঠাবোধ করবেন না তারা।