advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

খাদ্যরসিক হোন আর নাই হোন, খাবার যে জীবনের জন্য অপরিহার্য এ ব্যাপারে দ্বিমত করার মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। দিনের শুরু থেকে রাতে, অফিসের লাঞ্চ ব্রেকে কিংবা ভার্সিটির ক্লাসের ফাঁকে, মিটিংয়ে বা বন্ধুদের আড্ডায় খাবার আছেই। আর হালের দিনে তো রেস্টুরেন্টে খাওয়াটা একটা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। সে ছবি ঘুরে ফেরে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের পর্দায়। তবে খাওয়ার সময় খানিকটা ভুল করছেন না তো?

fast chewing

খাবার গ্রহণের সময় অনেককে তাড়াহুড়ো করতে দেখা যায়। খানিকটা সময় ভালোভাবে না চিবিয়ে সরাসরি গিলে ফেলা হয়। আবার কে কার আগে খেয়ে শেষ করতে পারে তা নিয়েও চলে প্রতিযোগিতা। দ্রুত খাওয়াকে কেউ কেউ কৃতিত্ব বলেও মনে করে থাকেন। যদিও এটা নিয়ে গর্ব করার মতো তমন কিছুই নেই। বরং এভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

প্রিয় পাঠক, আপনারও যদি দ্রুত খাবার গ্রহণের অভ্যাস থেকে থাকে তবে চলুন জেনে নিই এর স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে।

অতিভোজন বা বেশি খাওয়া: দ্রুত খেতে থাকলে খাবারের পরিমাণের দিকে অনেক সময় লক্ষ্যই করা হয় না। এমনকি মানব মস্তিষ্কও খাবারের পরিমাণ ধরতে পারে না। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি খেয়ে ফেলা হয়।

স্থূলতা: অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে দেহে মেদের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে দেহে জমাট বাধে নানান অসুস্থতা।

বদহজম: অনেক সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ঠিকমতো খাবার না চিবিয়ে পানি বা কোমল পানীয় দিয়ে গিলে ফেলা হয়। এতে বদহজম দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিস: দ্রুততার সাথে খাবার ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ মাত্রতিরিক্ত বেড়ে যায়, যা দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা হ্রাস করে। এর ফলে ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

বিপাকীয় সমস্যা: অতিরিক্ত খাবার শুধু ডায়াবেটিস নয়, মানবদেহে মেদ বাড়িয়ে আরো নানান রোগের সৃষ্টি করতে পারে। কোলেস্টেরল বেড়ে হৃদরোগ থেকে শুরু করে স্ট্রোকের ঝুকিও বেড়ে যেতে পারে।

sheikh mujib 2020