advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাজ্যের দ্য ইনিস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ বলছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) যেন ক্যান্সারের রোগীদের চিকিৎসায় কোনো হেলাফেলা না করা হয়। আর তা না করা হলে করোনাভাইরাসের থেকেও বেশি মানুষ ক্যান্সারে মারা যেতে পারে।

cancer patient having operationপ্রতীকী ছবি

দ্য ইনিস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চের অধ্যাপক ক্যারি টার্নবল বলেন, একজন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে সময়মত চিকিৎসা দিতে হবে। কারণ তিন মাসের ব্যবধানে একটি টিউমার চিকিৎসার অনুপযোগী হয়ে যেতে পারে। তাই ক্যান্সারের চিকিৎসায় দেরি করা হলে অনেক জীবন ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।

জানা যায়, গত এপ্রিলে যুক্তরাজ্যরের এনএইচএস ক্যান্সারের চিকিৎসা ৭০ শতাংশ কমে গেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বিবিসিকে বলছেন, অনেকটা বাধ্য হয়েই অনেক রোগীর এপোয়েন্টমেন্ট বাতিল করতে হচ্ছে। যদিও সিদ্ধান্তটা খুব কঠিন।

nhs logoজাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (এনএইচএস) লোগো

অধ্যাপক টার্নবল বলেন, সাধারণ সময়ে এনএইচএস ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের খুব বেশি প্রাধান্য দেয়। ফুসফুস ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের চিকিৎসা এখানে বিশেষ যত্ন নিয়েই করা হয়। সংস্থাটির চিকিৎসকরা চাচ্ছেন এসব ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের তারা দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসা দিতে। তবে অন্যান্য ক্যান্সার, যেমন স্তন ক্যান্সার ও প্রস্টেস্ট ক্যান্সারের চিকিৎসা একটু সময় নিয়ে করা যেতে পারে।

এক গবেষণা বলছে, যদি ক্যান্সার টিউমারের চিকিৎসা ছয়মাসের জন্য বন্ধ করে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়া হয় তাহলে প্রতি দশজন ভাইরাসে সংক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তুলতে যে সময় যাচ্ছে সে সময়ে চার জন ক্যান্সারের রোগী মারা যাবে।

যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর ৯৫ হাজার মানুষকে ক্যান্সারের চিকিৎসা দেয়া হয়। এদের মধ্যে ৮০ হাজার মানুষ আরো পাঁচ বছর বেঁচে থাকার আশা করতে পারেন। কিন্তু তিন মাস চিকিৎসা বন্ধ থাকলে মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচ হাজার বেড়ে যাবে। আর ছয়মাস বিরতিতে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১১ হাজারে।