advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের মহামারি। মরণঘাতী এই ভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বিশ্ব। এখন পর্যন্ত এর কোনো প্রতিষেধক বা টিকা আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। দিনরাত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা, যাতে দ্রুত একটি ভ্যাকসিন বাজারে এনে মানবজাতি রক্ষা করা যায়। তবে এই অবস্থার মধ্যেই একটি সুখবর দিলেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে আসতে চলেছে মসকুইটো ভ্যাকসিন বা মশার টিকা।

mosquito vac comingআসছে মসকুইটো ভ্যাকসিন

ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া, জিকা, ইয়েলো ফিভার, জাপানি এনসেফেলাইটিস, চিকুনগুনিয়া এসবই মশাবাহিত রোগ। আর এসব রোগকে যাতে প্রতিষেধকে সারিয়ে তোলা যায়, সে চেষ্টা থেকেই বাজারে আসতে চলেছে মসকুইটো ভ্যাকসিন। এমনই ইঙ্গিত দিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

জানা গেছে, অ্যানোফিলিস, কিউলেক্স ও এডিস মশার লালারসে থাকা চারটি কমন পেপটাইড দিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে। যার কারণে একে পেপটাইড ভ্যাকসিনও বলা হচ্ছে। অর্থাৎ তিন প্রজাতির মশার ক্ষেত্রে একই টিকা কার্যকর হবে বলে গবেষকদের দাবি। 

dengue crisis in malaysiaমালয়েশিয়ায় ডেঙ্গু মশা নিধন

গবেষকরা বলছেন, এটি মূলত টি সেল ভ্যাকসিন। ইতোমধ্যে এর অ্যানিম্যাল ট্রায়াল সফল হয়েছে এবং হিউম্যান ট্রায়াল চলছে। প্রথম পর্বে ৪৯ জনের দেহে এর প্রয়োগ হয়েছে। বিখ্যাত ল্যানসেট পত্রিকায় সে ট্রায়াল সফল হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল সফল হলে এই টিকাই হয়ে উঠবে গেম চেঞ্জার। ফলে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকার মতো রোগ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দুনিয়ায় যত সংক্রমক ব্যাধি রয়েছে, তার মধ্যে ১৭ শতাংশই মশাবাহিত। প্রতি বছর মশাবাহিত রোগে প্রায় সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে রয়েছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা, ইয়েলো ফিভার। প্রতি বছর বিশ্বে শুধু ১৯ কোটি ৮০ লাখ মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ হয়। মৃত্যু ঘটে প্রায় ৬ লাখ মানুষের। যাদের একটা বড় অংশ কম বয়সী।

sheikh mujib 2020