আপনি পড়ছেন

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে আয়োজিত হালাল ফুড ফেস্টিভাল ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমরাও ঘুরে দেখেছেন এ আয়োজন। আয়োজকরা বলছেন, হালাল খাবারের ধারণাটি কেবল খাবারেরই ধারণা নয়, এটি একটি জীবনধারাও। খবর আরব নিউজ।

london food fastivalকুইন এলিজাবেথ অলিম্পিক পার্কের লন্ডন স্টেডিয়ামে হালাল ফুড ফেস্টিভাল

আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, কুইন এলিজাবেথ অলিম্পিক পার্কের লন্ডন স্টেডিয়ামে গত ২৪-২৫ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠবারের মতো বসেছিল এ আয়োজন। দেড় শতাধিক স্টল দেওয়া হয়েছিল ভেন্যুটিতে। লন্ডন বা যুক্তরাজ্য ছাড়াও মিশর, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের লোক এসেছিল এতে অংশ নিতে। দুদিনের এই ইভেন্টে কমপক্ষে ১৮ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

বীজগণিত উৎসবের পরিচালক কেভিন জ্যাকসন সাত বছর আগে তার সঙ্গী ওয়ালিদ জাহাঙ্গিয়ার সাথে এই আয়োজনের সূচনা করেন। আয়োজনের ব্যপ্তির দিক দিয়ে এটি এখন বিশ্বের বৃহত্তম হালাল খাদ্য সমাবেশগুলোর অন্যতম। তাদের মতে, খাবারের চেয়ে সংস্কৃতি ভাগ করে নেওয়ার চেয়ে ভালো কোনও উপায় নেই।

ইভেন্টে একটি ভিআইপি লাউঞ্জ, শপিং স্টল, লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট, কুকারি থিয়েটার, পিকনিক এরিয়া, বাচ্চাদের খেলার জায়গাসহ নানা ধরনের মজার প্রতিযোগিতা ছিল। এছাড়া সেখানে ডাক্তাররা নারীদের বিভিন্ন রোগ নিয়েও আলোচনা করেন।

আয়োজক জ্যাকসন বলেন, তারা যখন এই আয়োজনের সূচনা করেছিলেন, তখন লন্ডনে বেশিরভাগ মুসলিম ইভেন্ট কমিউনিটি সেন্টার বা স্কুল হলে অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু তাদের এই ইভেন্ট আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুসলিম সম্প্রদায় এখন রাজধানীর বিখ্যাত ভেন্যুগুলোতে প্রবেশ করেছে।

তিনি বলেন, এ আয়োজনে অংশ নিতে স্পেন থেকে লোক এসেছেন। এসেছেন স্কটল্যান্ড থেকেও। আমাদের জন্য এটি বড় পাওয়া যে, এই ইভেন্টে অংশ নিতে মানুষ শত শত মাইল পথ পাড়ি দিচ্ছে। জর্ডানের ঐতিহ্যবাহী আনাবতাউই সুইটস থেকে শুরু করে লন্ডনের লোলার কাপকেক পর্যন্ত এই উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল।

উদ্যোক্তারা বলেন, মুসলিম দর্শনার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা করার বাইরেও এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো হালাল অর্থনীতির জন্য একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা, যেখানে হালাল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলো বড় হওয়ার জন্য সহায়তা পাবে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর