আপনি পড়ছেন

ফ্রান্সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংকট নিয়ে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও নাগরিক সেবা খাতের দুর্দশাবিরোধী এক ব্যাপক গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক বিক্ষোভ, ব্যাপক সংঘর্ষ এবং গণগ্রেপ্তারের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার শিক্ষা খাতে বিভিন্ন ছাড় ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে। শনিবার দেশজুড়ে নতুন করে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে।

শিক্ষার্থী আন্দোলন থেকে ফ্রান্সে তীব্র অস্থিরতা
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ সামাল দিচ্ছে পুলিশ

ফ্রান্সের বিদেশি ভূখণ্ড মায়োত এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেহাল দশা নিয়ে প্রথমে ক্লাস বর্জন ও অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে তা দেশটির মূল ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্যারিসের শহরতলির শিক্ষার্থীরা শিক্ষক সংকট, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী, ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা এবং সহায়ক কর্মীদের ঘাটতি নিয়ে আন্দোলন শুরু করে। শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬ জনে এবং মূল বিষয়গুলোতে মাসের পর মাস কোনো শিক্ষক নেই। একই সঙ্গে তারা ফ্রান্সের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘পারকুরসুপ’ পরিবর্তনের দাবি জানায়।

সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখের মধ্যে প্রায় ১৮০টি স্কুল এই আন্দোলনের কবলে পড়ে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সে সময় ১৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ১ অক্টোবর ১ হাজার ২৭টি স্কুলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং ২২২টি প্রতিষ্ঠানে অবরোধ তৈরি করা হয়। একই দিনে নঁতের নেলসন ম্যান্ডেলা হাই স্কুলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অস্থিরতার মধ্যে সে সময় কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৯৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করে।

বিক্ষোভ চলাকালে ৫ অক্টোবর লঁসে একটি স্টান গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়ে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলশিক্ষার্থীর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনার তদন্ত চলাকালীন ছাত্রবিক্ষোভে ওই মডেলের গ্রেনেড ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ৬ হাজার ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৬০ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ৮৭ শতাংশই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর দেশজুড়ে প্রায় ২ লাখ ৬৬ হাজার মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে, যার মধ্যে কেবল প্যারিসেই অংশ নেয় ৫৬ হাজার মানুষ। তবে ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী এই সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে চার লাখ। ওই দিন ৪৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধীরে ধীরে এই আন্দোলন কেবল শিক্ষার গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্থনৈতিক বৈষম্য, সরকারি ব্যয় এবং নাগরিক সেবা খাতের বিভিন্ন সংকটের বিরুদ্ধে রূপ নিতে শুরু করে। ৯ অক্টোবরের মধ্যে মোট আটকের সংখ্যা ৬ হাজার ৮০০ ছাড়িয়ে যায়, যার মধ্যে ৮৬ শতাংশই ছিল অপ্রাপ্তবয়স্ক। এদের মধ্যে ২১ জনকে বিচারের পূর্ববর্তী হেফাজতে রাখা হয়।

শিক্ষার্থী আন্দোলনের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ১৭ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো হয়। এই ডাক ২০১৮ সালের ইয়োলো ভেস্ট আন্দোলনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। ওই আন্দোলনের শীর্ষ ব্যক্তিরা এই কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানালেও নতুন এই আন্দোলনের সুস্পষ্ট কোনো নেতৃত্ব ছিল না। গোলচত্বর, পেট্রোল পাম্প এবং টোল প্লাজাগুলোতে জড়ো হতে শ্রমিক, কৃষক, পেনশনার এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। ছাত্র সংগঠনগুলোও এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করে। ফলে নিজস্ব দাবি ও সাংগঠনিক কাঠামো বজায় রেখেও বিভিন্ন অংশের ক্ষোভ একই রাস্তায় এসে মিলিত হয়।

১৭ ও ১৮ অক্টোবরের কর্মসূচিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশজুড়ে অংশ নেয় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। অন্যদিকে দেশটির অন্যতম প্রধান ট্রেড ইউনিয়ন সিজিটি এই সংখ্যা ৮ লাখ বলে দাবি করে। অনেক জায়গায় কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বাধে। অনেকে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে, বিভিন্ন স্থানে আগুন দেয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। লিমোজে ঐতিহাসিক সিটি হল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি হয়। মার্সেইতে বিক্ষোভকারীরা সিটি হলে ঢুকে পড়ে এবং লিঁওর পর্যটন কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্যারিসসহ অন্যান্য শহরেও ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ঘটনায় ২ হাজার ৬২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, ১ হাজার ১৪৪ জন নিরাপত্তা কর্মী আহত হন এবং ১ হাজার ৫২২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। তবে আটকদের সবার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা বা দণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্যারিস অঞ্চলে সপ্তাহান্তে ৮৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যার মধ্যে ৫৫৭ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। মার্সেইতে ১০১ জন এবং লিঁওতে ১৯৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্টিয়ান লেকর্নুর অভিযোগ, উগ্র বামপন্থী দল ও অপরাধীরা এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। প্যারিসের মিছিলে যোগ দেওয়া লা ফ্রঁস আঁসুমিজের নেতা জঁ-লুক মেলঁশঁ বিক্ষোভস্থলে পুলিশের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোকে ‘উদ্ভট’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, তার সমর্থকরা কোনো ধরনের লুটপাট বা ধ্বংসযজ্ঞে জড়ায়নি। একই সাথে তরুণদের ক্ষোভের কারণগুলো সমাধান করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উগ্র ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালির নেতা মারিন ল্য পেন এই সহিংসতা উসকে দেওয়ার পেছনে লা ফ্রঁস আঁসুমিজকে দায়ী করেন। এক ভিডিও বার্তায় তিনি ম্যাক্রোঁ সরকারকে ক্লান্ত ও লক্ষ্যভ্রষ্ট বলে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘ফ্রান্স এখন সহিংসতা এবং অসহায়ত্বের মাঝে বন্দি হয়ে পড়েছে।’ তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

বিক্ষোভের ব্যাপকতা আগেভাগে আঁচ করতে না পারা এবং কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার বিষয়টি ১৯ থেকে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে স্বীকার করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ। তিনি পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও ম্যাক্রোঁ তা প্রত্যাখ্যান করেন। গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতাগুলো খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার উদ্যোগও নেয় সরকার। অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপসহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সান্ধ্য আইন জারি করা হয়। ১৭ অক্টোবরের ৬০ হাজার সদস্যের স্থলে ২৪ অক্টোবরের বিক্ষোভের জন্য ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেস মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৩ অক্টোবর ম্যাক্রোঁ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে স্কুলগুলোর পরিবেশ ও ‘পারকুরসুপ’ প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আলোচনা করেন।

২৪ অক্টোবরের বিক্ষোভে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেয়, যার মধ্যে প্যারিসে ছিল ১ লাখ ১০ হাজার। তবে সিজিটির হিসাবে দেশজুড়ে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮ লাখ। আগের সপ্তাহের ৪৪১টি সমাবেশের তুলনায় এ দিন ২৮৯টি বিক্ষোভের তথ্য রেকর্ড করা হয়। বেশিরভাগ মিছিল শান্তিপূর্ণ থাকলেও শেষের দিকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। কিছু বিক্ষোভকারী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে প্যারিস, নঁত ও লিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। নতুন করে দোকানপাটে লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে। প্যারিসে পুলিশ ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং ৩ হাজারের বেশি মানুষের পরিচয়পত্র যাচাই করে।

লিঁওর কিছু এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকায় সেখানে ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ১৮ সদস্যসহ ২২ জন আহত হন। লোয়ার-আটলান্টিক প্রিফেকচারের তথ্য অনুযায়ী, নঁতে লুটপাটের অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৬ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ জানান, সপ্তাহান্তের বিক্ষোভে ১ হাজার ৪৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ২৬৭ জন নিরাপত্তা কর্মী ও ১৫০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দমকল বাহিনীর হস্তক্ষেপের সংখ্যা পূর্ববর্তী শনিবারের ২ হাজার ২৫টি থেকে কমে ৭৫টিতে দাঁড়ায়। কর্তৃপক্ষ জানায়, তুলুজ, ক্লেরমঁ-ফেরঁ ও রঁসে তিন বিক্ষোভকারী গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে তুলুজের ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।

আন্দোলনের মুখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৬ অক্টোবর কিছু ছাড়ের ঘোষণা দেয় সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৮ সালের মধ্যে ‘পারকুরসুপ’ প্ল্যাটফর্ম বাতিল করা, ২০২৭ সালের ভর্তি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা এবং উচ্চশিক্ষায় অতিরিক্ত ১৫ হাজার আসন তৈরি করা। এ ছাড়া ২০২৭ সাল থেকে পিছিয়ে পড়া অর্ধেক স্কুলে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে সব সরকারি হাই স্কুলে প্রথম বর্ষের ক্লাসে সর্বোচ্চ শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ জনে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সরকার মাধ্যমিক শিক্ষায় পরিকল্পিত ৮৩৬টি পদ বাতিল করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে এবং নতুন করে ৫০০ শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেয়। স্কুল সংস্কারের জন্য ৪০০ কোটি ইউরো ঋণ সহায়তা, ক্যাম্পাস উন্নয়নে ১০০ কোটি ইউরো এবং ২০২৭ সাল থেকে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের অনুদান বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা সরকারের কিছু ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন সক্ষমতা এবং নতুন ভর্তি ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। শিক্ষার্থী সংগঠন ‘লে লিসিয়াঁ!’ তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ডাক দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ৩১ অক্টোবর নতুন বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে এবং ৫ নভেম্বর দেশব্যাপী কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রেড ইউনিয়নগুলো। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ হ্যালোউইনের সময় সহিংসতার বড় ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেন। ওই দিনের নিরাপত্তার স্বার্থে ফের ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেস মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শহরের কেন্দ্রস্থলগুলোতে সমাবেশ নিষিদ্ধ করে শহরতলির দিকে বিক্ষোভ সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা করেছে প্রশাসন। ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে এই বিক্ষোভ ফ্রান্সে শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, নাগরিক সেবা এবং পুলিশি কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলেছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর

Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.

Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.