নির্বাচনে হারলে ন্যাটোকে নিশানা করতে পারেন ট্রাম্প
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দল পরাজিত হলে সামরিক জোট ন্যাটোর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাপ বাড়িয়ে দিতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন ইউরোপীয় মিত্ররা। রবিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পাঁচজন ন্যাটো কূটনীতিকের বরাতে এমন সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম পলিটিকো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কূটনীতিকরা জানান, কংগ্রেসে বাধার মুখে অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনাগুলো আটকে গেলে ট্রাম্প আরও বেশি আক্রমণাত্মক পররাষ্ট্রনীতির দিকে ঝুঁকতে পারেন। এর অংশ হিসেবে ইউরোপ থেকে তিনি আরও কয়েক হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নিতে পারেন। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই মহাদেশটিতে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ট্রাম্প ন্যাটোর যৌথ তহবিলে ওয়াশিংটনের অনুদান কমিয়ে দিতে পারেন। সেই সঙ্গে ইউক্রেনের জন্য জোট-সমর্থিত অস্ত্র ক্রয় কর্মসূচি ‘পিইউআরএল’ সীমিত করা কিংবা রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার মতো পদক্ষেপও নিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের ফেলো ও ন্যাটোর সাবেক কর্মকর্তা ওনা লুঙ্গিসকু সতর্ক করে বলেন, ‘ইউরোপে মার্কিন সেনা উপস্থিতির শর্ত হিসেবে ইউক্রেন সংক্রান্ত নিজেদের তৈরি শান্তি প্রস্তাব মেনে নেওয়ার দাবি তুলতে পারে ওয়াশিংটন।’ সেনা মোতায়েন, ইউক্রেন পরিস্থিতি এবং ইউরোপের নিরাপত্তাকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কোনো বৃহত্তর চুক্তির অংশ বানানো হলে তা ইউরোপীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সচিব অলিভিয়া ওয়েলস অবশ্য ট্রাম্পের পদক্ষেপের পক্ষেই অবস্থান তুলে ধরেছেন। পলিটিকোকে তিনি বলেন, ‘অন্য যে কারও চেয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ন্যাটোর জন্য বেশি কাজ করেছেন।’ ন্যাটোর সদস্যদেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন তিনি। তবে ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে মিত্রদের প্রতি ট্রাম্পের সমালোচনার কথাও তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন।
মন্টিনিগ্রোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী দ্রাগান ক্রাপোভিচ অবশ্য কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি জানান, অতীতেও ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে আসার এমন আশঙ্কা সত্য প্রমাণিত হয়নি। এ ছাড়া মার্কিন সেনা মোতায়েনের ক্ষেত্রে দেশটির কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও পেন্টাগন এবং ন্যাটো কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...
খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর
Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.
Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.