advertisement
আপনি দেখছেন

পেঁয়াজ উৎপাদন ও রপ্তানিতে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভারত। তবে এ বছর খোদ দেশটিতেই সংকট দেখা দিয়েছে এই নিত্যপণ্যটির। আর এই সংকটের কারণে ইতোমধ্যে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম।

indian onion 1পেঁয়াজ

ভারতীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোববার দেশটির কর্নাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরু এবং তামিলনাড়ু রাজ্যের মাদুরাইয়ের বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০ রুপিতে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৩৭ টাকা। বাজারে পণ্যটির সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম এমন হু হু করে বাড়ছে বলে জানান সেখানকার কর্মকর্তারা।

জানা যায়, দক্ষিণ ভারতের বেশিরভাগ রান্নার ক্ষেত্রেই পেঁয়াজ একটি প্রধান উপকরণ। মাংস, বিরিয়ানি থেকে শুরু করে দোসা, সাম্বার, রায়তা সবগুলোতেই ব্যবহার করা হয় পেঁয়াজ। কিন্তু সম্প্রতি পণ্যটির এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে এর ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন সেখানকার রাঁধুনিরা।

মাদুরাইয়ের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতারা জানান, আগে যেখানে ক্রেতারা পাঁচ কেজি করে পেঁয়াজ কিনতেন, এখন দাম বৃদ্ধির পর তা এক কেজিতে নেমে এসেছে।

জয়াশোভা নামের এক ক্রেতা জানান, আগে অল্প দামে বেশ কয়েক কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারতেন। কিন্তু এখন প্রতি সপ্তাহে শুধু পেঁয়াজের পেছনেই ৪০০ টাকা খরচ হচ্ছে। তাই অন্যান্য সবজি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

পেঁয়াজের এমন ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে বেঙ্গালুরুর কৃষি বিপণন অফিসার সিদ্দাগঙ্গাইয়া বলেন, বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কুইন্টাল (১০০ কেজি) পেঁয়াজের সাড়ে পাঁচ হাজার রুপি (৬৫০০ টাকা) থেকে ১৪ হাজার রুপিতে (১৬৫০০ টাকা) বিক্রি হচ্ছে। তাই খুচরা বাজারে পণ্যটির দাম এত বেশি।

এদিকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভারত কর্তৃক রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে দেয়ার পর বাংলাদেশের বাজারেও হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। এক পর্যায়ে দাম ২৫০ টাকায় পৌঁছালে তা ক্রেতা সাধারণের নাগালের বাহিরে চলে যায়। পরবর্তীতে সরকারের অনুমতিতে আমদানিকারক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিমান এবং জাহাজের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে। তবে তাতেও কমানো যায়নি পেঁয়াজের দাম।