advertisement
আপনি দেখছেন

ইউরোপে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে ভয়ংকরভাবে। নানা পদক্ষেপ আর বিস্তর বিধিনিষেধ আরোপ করেও ঠেকানো যাচ্ছে না প্রাণঘাতী এই ভাইরাসকে। পুরো দেশকেই একপ্রকার কোয়ারেন্টাইন ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু সংক্রমণ থামছে না কোনোভাবেই। তাই সবশেষ পদক্ষেপ হিসেবে জরুরি অবস্থা জারি করছে দেশগুলো। ইতালির পর এবার এই পদক্ষেপ নিয়েছে স্পেন ও ফ্রান্স।

corona virus europe

ইউরোপে ইতালির অবস্থাই সবচেয়ে খারাপ। তারপর স্পেন, তারপর ফ্রান্স।

ইতালিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে এক সপ্তাহ আগে। এই পদক্ষেপের আগে বন্ধ করা হয়েছিল সব ধরনের খেলাধুলা, জনসমাগম এবং ভ্রমণ। এত কিছুর পরও করোনার আক্রমণে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দেড় হাজারে। আক্রান্ত ২১ হাজারেরও বেশি।

স্পেনেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত এবং আক্রান্তের সংখ্যা। সবশেষ খবর অনুযায়ী, মারা গেছেন প্রায় ২০০ জন, আক্রান্ত সাড়ে ৬ হাজার। এমতাবস্থায় অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য কিংবা ওষুধ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ করেছে দেশটি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী বেগোনা গোমেজের দেহে করোনাভাইরাসের জীবাণু পাওয়ার কথা জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

ফ্রান্সে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সিনেমা হল, দোকানপাট, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে। যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বাড়াতে বলেছে দেশটির সরকার। তারপরও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশটিকে করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন প্রায় ১০০ জন। আক্রান্ত ৫ হাজার।

বৃটেনেও গত ২৪ ঘন্টায় মৃতের সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪০ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২১।