advertisement
আপনি দেখছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত স্পেন। ভাইরাসটির বিস্তার রোধে মার্চের মাঝামাঝি থেকে লকডাউনে আছে দেশটি। এ অবস্থায় গাড়ি নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও বার ব্যবসাসহ অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান ও অফিস-আদালত বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশটির প্রায় ৯ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি কেটে গেলে অবশ্য বেশিরভাগ লোকই চাকরি ফিরে পাবেন।

spain funeral job lossগত ১ এপ্রিল মধ্য স্পেনের জারজা দি তারোতে মায়ের অন্তেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেন তার ছেলে। ছবি- ব্লুমবার্গ।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সোশ্যাল সিকিওরিটি ডেটা অনুযায়ী, মার্চ মাস থেকেই এসব মানুষ তাদের কর্ম হারিয়েছেন। তবে বিপুল সংখ্যক এই বেকারের অর্ধেকের বেশি ছিলেন অস্থায়ী চাকরিজীবী।

প্রকাশিত তথ্য বলছে, ১৪ মার্চের পর থেকে দেশটিতে ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৮২২ জন মানুষ তাদের কর্ম হারিয়েছেন। এর মধ্যে সাড়ে ৫ লাখই অস্থায়ী কর্মী ছিলেন।

স্পেনের যোগাযোগ মন্ত্রী জোস লুইস অ্যাবলস বলেন, ‘আমাদের কাছে এটা এখন খুবই বড় চ্যালেঞ্জ ৷ একদিকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে হবে। আবার অর্থনীতি যাতে থমকে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’

তবে তিনি আশ্বস্ত বলেছেন যে, করোনাভাইরাসের ভয়াবহ পরিস্থিতি কেটে গেলেই অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করবে সরকার।

দেশটির সরকারি হিসাব বলছে, গেল মার্চেই স্পেনে বেকারত্ব বেড়ে ৩৫ লাখ হয়েছে। ২০১৭ সালের এপ্রিলের পর থেকে যা বেকারত্বের সর্বোচ্চ হার৷ এই প্রথম দেশটিতে একসঙ্গে এত মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে।

তবে শেষ ৬ মাসের মধ্যে চাকরি পেয়ে এই লকডাউনে রোজগার হারানো মানুষের সংখ্যা উল্লিখিত পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ তারা এখনও সরকারিভাবে কর্মী হিসেবে নথিভুক্ত হননি৷

মার্কিন গণনাকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, স্পেনে এ পর্যন্ত এক লাখ ১২ হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১০ হাজার ৩৪৮ জন। এ ছাড়া চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার।