advertisement
আপনি দেখছেন

একদিকে সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে, অন্য দিকে ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিল করছে বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশ ভারত। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যায় ইতোমধ্যেই দেশটি চীনকে ছাড়িয়ে গেছে।

india planning to ease lockdown

ভারত এর আগেও কিছুটা লকডাউন শিথিল করেছে। এরপর তারা তিনটি ধাপে আরো বেশি শিথিলতার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

এই তিন পরিকল্পনার প্রথমটিতে আট জুন থেকে রেস্টুরেন্ট, হোটেল, শপিংমল খুলে দেওয়া হবে। মসজিদ, মন্দির এবং অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ও উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

একই সাথে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, জুলাই মাসের শেষ দিকে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে।

শনিবার প্রায় আট হাজার নতুন সংক্রমিত লোককে চিহ্নিত করে ভারত। এই দিনেই আসে লকডাউন আরো শিথিল করার পরিকল্পনা।

করোনাভাইরাসে ভারতে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৭৪ হাজারের বেশি লোক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একশ ৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের প্রকোপ খুব বেশি নয় বলেই ধারণা করা হয়।

আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকশ থাকার সময়ই দুই মাস আগে ভারতের কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে অন্তত ৩৭ হাজার থেকে ৭৮ হাজার লোকের প্রাণ বেঁচে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গবেষকরা।

কিন্তু অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া হাজার হাজার লোককে রাস্তায় নেমে আসতে দেখা গেছে যারা এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে কাজ করতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। এই পরিস্থিতি পুরো ভারতকে নাড়া দিয়ে গেছে।

স্বাস্থ্যকর্মী বলছেন, লকডাউন শিথিল করলে ভারতের এখন খুব বেশি সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি নেই কারণ বেশির ভাগ সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে হাতে গোনা কিছু অঞ্চলে।

ভারতের মোট সংক্রমণের ৮০ শতাংশের বেশিই ঘটছে মহরাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট এবং মধ্য প্রদেশে।

sheikh mujib 2020