advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হারের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে রেড, অরেঞ্জ, ইয়োলো ও গ্রিনজোনে ভাগ করেছে মার্কিন গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউট। সেইসঙ্গে দেশগুলোর সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও তারা পর্যালোচনা করেছে।

red green orange zoneপ্রতীকী ছবি

আল আরাবিয়ার বরাতে জানা যায়, গ্রিনজোনের দেশগুলোতে করোনার সংক্রমণের হার সবচেয়ে কম। এর পরই আছে ইয়োলো জোন। রেড ও অরেঞ্জ জোনে রাখা হয়েছে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে।

যেসব দেশে প্রতি লাখ মানুষে নতুন সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ১ বা তার কম তাদের গ্রিন জোনে রাখা হয়েছে। সংখ্যাটি ১ থেকে ৯ এর মধ্যে থাকলে তা ইয়োলো জোন। ১০ থেকে ২৪ এর মধ্যে থাকলে যেসব দেশ অরেঞ্জ জোন। আর প্রতি লাখে নতুন সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ২৫ এর অধিক থাকলে তা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

lockdown in moscowলকডাউন চলাকালীন ফাঁকা রাশিয়ার রাজধানী মস্কো

অরেঞ্জ জোনে আছে সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, ব্রাজিল, সাউথ আফ্রিকা, পেরু, কাজাকস্থানের মতো দেশ। এই ক্যাটাগরিতে থাকা দেশগুলোকে আরো বেশি টেস্ট, সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিতকরণ ও যথাযথ লকডাউন আইন কার্যকর করার পরামর্শ দিয়েছে গ্লোবাল হেলথ ইনস্টিটিউট।

প্রতি লাখে জন বা তার কম সংক্রমিত হয় এমন দেশকে রাখা হয়েছে গ্রিন জোনে। এই ক্যাটাগরিতে আছে কানাডা, চীন, আলজেরিয়া, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড, মঙ্গোলিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ক্যামেরুন, নাইজার, মালি, মরক্কো, লিবিয়াসহ আফ্রিকার অধিকাংশ রাষ্ট্র। এসব রাষ্ট্রকে সংক্রমিত রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিতকরণের পরামর্শ দিয়েছে গ্লোবাল হেলথ ইনিস্টিটিউট।

ইয়োলো জোনে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, পর্তুগাল, নামিবিয়া, রাশিয়াসহ অন্যান্য দেশ। এসব দেশে প্রতি লাখে ১ থেকে ৯ জন মানুষ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হচ্ছে।

যেসব দেশে প্রতি লাখে ২৫ জন বা তার বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে সেসব দেশকে রাখা হয়েছে রেড জোনে। এই জোনে আছে কাতার, বাহরাইন, ফ্রেঞ্চ গুইয়ানা।

গ্লোবাল হেলথ ইনিস্টিটিউটের মতে, এসব দেশে সম্পূর্ণ লকডাউন কার্যকর করে রাখা অতীব জরুরি। সেইসঙ্গে দ্রুত টেস্ট ও রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে।

sheikh mujib 2020