advertisement
আপনি পড়ছেন

আমেরিকার ওকল্যান্ডের বাসিন্দা লরা স্পিয়ার্স লটারির একটি টিকিট কিনেছিলেন গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর। তারপর অপেক্ষায় ছিলেন, যদি কোনো পুরস্কার পান। কিন্তু দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করেও কোনো ইনবক্সে ইমেইল না দেখে আশাহত হয়ে বিষয়টিই ভুলে যান।

a woman won lotteryলটারির চেক হাতে লরা

আমেরিকার ওকল্যান্ডের বাসিন্দা লরা জানান, তিনি আগে কখনও লটারির টিকিট কাটেননি। বছরের শেষ দিনে হঠাৎ ঝোঁকের মাথাতেই ওই টিকিটটি কেটে ফেলেন।

লরার কথায়, আমি শুনছিলাম মিশিগান লটারির মেগা মিলিয়ন ড্রয়িংয়ে অনেকেই পুরস্কার পাচ্ছেন। তাই আমিও একটা টিকিট কিনে নিয়েছিলাম। কিন্তু কয়েকদিন অপেক্ষা করেও কোনো জবাব না আসায় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। অথচ লরার কাটা টিকিটের নম্বরটিই পেয়েছিল লটারির সর্বোচ্চ পুরস্কার। যাতে পুরস্কার ছিল ৩০ লাখ ডলার বা প্রায় ২৬ কোটি টাকা। পুরস্কারের ঘোষণা সংবলিত মেইলটি ঢুকে গিয়েছিল স্প্যাম ফাইলে।

lara spearsলটারি জয়ের পর প্রিয় মানুষের সাথে লরা

ইমেইলের স্প্যাম ফোল্ডারে সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার প্রচারকেন্দ্রিক মেইলগুলো জমা হয়। যাতে জরুরি ইমেইল খুঁজতে ব্যবহারকারীদের অসুবিধা না হয়। লরার ৩০ লাখ ডলার জেতার মেইলটিও ঢুকে গিয়েছিল এই স্প্যাম ফোল্ডারে।

প্রায় ১৫ দিন পরও তার ইনবক্সে এ সংক্রান্ত কোনো মেইল না আসায় লরা ভেবেছিলেন, তার পুরস্কার জেতা হয়নি। এক বন্ধুর কাজের প্রয়োজনেই পুরোনো ইমেইল খুঁজতে স্প্যাম বক্সে ঢুকেছিলেন লরা। সেখানেই লটারি জেতার মেইলটি খুঁজে পান তিনি।

লরার টিকিটের নম্বর ছিল ২-৫-৩০-৪৬-৬১। লটারি সংস্থা জানায়, লাকি ড্রয়ে লরার পাঁচটি নম্বরই মিলে যায়। যার ফলে লটারির সর্বোচ্চ পুরস্কার ৩০ লক্ষ ডলার পেয়ে যান তিনি।

হারিয়ে যাওয়ার লটারির অর্থ হাতে পাওয়ার পর কী করবেন জানতে চাওয়া হয়েছিল লরার কাছে। তিনি জানান, প্রথমেই আমার ইমেইলের সেটিং বদলাব, যাতে ভবিষ্যতে আর লটারি জেতার খবর মিস না হয়ে যায়!