advertisement
আপনি দেখছেন

সাগরের বড় বড় ঢেউ কলকলিয়ে আওয়াজ তুলছে। তারপর চড়ে এসে মিশে যাচ্ছে। ছোট্ট পাখির ঝাঁক সাগর ঢেউয়ের অল্প উচ্চতায় কিচিরমিচির শব্দ করছে আর উড়ছে। দক্ষিণা হাওয়া এসে শরীরে পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে তো দিচ্ছেই। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী উপভোগ করছেন সমুদ্রপাড়ের অপূর্ব সৌন্দর্য্য। খালি পায়ে দাঁড়িয়ে, সমুদ্রের ঢেউয়ে পা ভিজিয়ে। কখনো গভীর সাগরের দিকে এক নয়নে তাকিয়ে থাকছেন, কখনো সাগরের রহস্য বুঝে হাসছেন, হেসেই চলেছেন। আবার কখনো সফর সঙ্গীদের এটা-ওটা বলছেন।

prime minister sheikh hasina marine driveway coxs bazar

কোন সাধারণ একজন নারীর সাগর দর্শনের গল্প কিন্তু বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ শেখ হাসিনার সাগর ভ্রমণের গল্প! গতকাল কক্সবাজারে প্রায় ৮০ কিলোমিটার লম্বা ‘কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ’সহ বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধনের পর নেতাকর্মীদের সাথে সমুদ্র দর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী।

সমুদ্রে যাবেন আর সৌন্দর্য্যরে ষোল আনা উপভোগ করবেন না তা কি হয়! প্রধানমন্ত্রী সমুদ্রের সৌন্দর্য্যের লিলা উপভোগ না করে ফেরেননি। খালি পায়ে হেঁটেছেট সমুদ্রতটে। খালি পায়েই নেমে পড়েছেন ঝিনুকফোটা সাগরবেলায়। প্রায় ১৫ মিনিটে সমুদ্রের জলে পা ভিজিয়ে ‘খেলা’ করেছেন শেখ হাসিনা।

শৈশবের স্মৃতি তখন বুঝি বারবার ফিরে আসছিল প্রধানমন্ত্রীর সামনে। প্রধানমন্ত্রী জানালেন, জীবনের প্রথমবার কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত দেখতে গিয়েছিলেন অনেক ছোটবেলায়। তখন নিজের পৃথিবীটা এমন ছিল না। বাবা-মায়ের হাত ধরে সমুদ্রের ধারে ছুটে বেড়িয়েছেন ছোট্ট শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে কক্সবাজারে এসেছিলাম। বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমুদ্র অনেক প্রিয় ছিল। সমুদ্র আমাদেরও টানতো।’ প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, ‘এই সৈকতের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর অনেক স্মৃতি, তাই এটাকে আরও আকর্ষণীয় ভাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে।’