advertisement
আপনি দেখছেন

অবৈধ অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতের কারাগারে বন্দি রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে দেশটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ। তার এই অপকর্মে নড়েচড়ে বসেছে তেলসমৃদ্ধ দেশটির সরকার। যার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে দেশটিতে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে।

kaji sahid papulকাজী শহিদ ইসলাম পাপুল- ফাইল ছবি

আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে কুয়েতের সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস।

এতে বলা হয়, অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে বর্তমানে কুয়েতের কারাগারে রয়েছেন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য ও অংশীদার ভিত্তিতে কুয়েতের ক্লিনিং কোম্পানির মালিক পাপুল। তার এই অপকর্মের জন্য বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে দেশটিতে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিতে।

আরো বলা হয়, পাপুলকাণ্ডের পর সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন কুয়েতে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে তিনি এই বিরূপ প্রভাব যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার জন্য কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসকে অনুরোধ করেছেন।

kuwait capitalকুয়েত- ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাপলুকাণ্ডের কারণে দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই এটি যথটা সম্ভব কমিয়ে আনার জন্য সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কুয়েতে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার কথা স্বীকার করেন সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আবুল কালামও। তবে ঠিক কতটা বিরূপ প্রভাব পড়বে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলেননি তিনি।

তার মতে, পরিস্থিতি যতটা খারাপ বলে ধারণা করা হচ্ছে, আসলে তা ততটা নয়। দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিক কমানোর জন্য রাজনৈতিক চাপ রয়েছে সত্য। তবে এ বিষয়ে কুয়েত সরকার এখনো তেমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের কারণে গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরিচ্যুত হয়ে কুয়েত ছেড়েছেন। এখন পাপুলকাণ্ডে বিরূপ প্রভাব পড়লে আরো অনেককেই নিজ দেশে ফিরতে হতে পারে।