আপনি পড়ছেন

বাজারের দোকানে দোকানে শাক-সবজিতে ভরপুর। সব ধরনের তরি-তরকারিই মিলছে, তবে দাম অনেক চড়া। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। কম দামে মিলছে কেবল পেঁপে আর আলু। আজ শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। আগের সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে প্রায় সবজিরই। প্রতিটি সবজি বাজারেই ক্রেতার মুখে স্পষ্ট অসন্তোষ।

vegetables bazar bdবাজারে শাক-সবজির সরবরাহ বেশ, তবে দামও বেশি

রাজধানীর কারওয়ানবাজার, রামপুরা, হাতিরপুল, মহাখালী কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দামই বাড়তি। কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ আগের তুলনায় অনেকটা কমলেও গাজর ও টমেটোর দাম নাগালের বাইরে। টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় ও গাজর ১৩০ টাকা কেজি।

আগের সপ্তাহেও ঢেড়স ছিল ৫০ টাকা কেজি, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। কাকরোলে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। ১০ টাকা বেড়ে করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, শশার কেজি ৬০ টাকা।

বাজারে দেখা গেছে, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আর মিষ্টি কুমড়া কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। জালি কুমড়া এক পিস ৪০ টাকা। এছাড়া কচুর লতি ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ৭০, চিচিঙ্গা ৭০ ও পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। অন্যদিকে মূলা ৬০ টাকা কেজি আর কাঁচা কলার হালি ৪০ টাকা।

বাজারে সবজি-তরকারির মধ্যে শুধু পেঁপেই মিলছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। আর গোল আলুর কেজি ৩৫ টাকা।

এদিকে সব ধরণের শাকের দামও বেড়েছে। কলমি শাক জোড়া আঁটি ২৫ টাকা, কচুর শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পাট শাকের জোড়া আঁটি ২৫ টাকা, মূলা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, লাল শাকের জোড়া আঁটি ৩০-৪০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুঁই শাক আঁটি ৪০ টাকা, শাপলার মুঠি ১৫ টাকা। ধনিয়ার পাতা ১০০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

মিরপুরের উত্তর পীরেরবাগ কাঁচাবাজারে শাক-সবজি কিনতে আসা শিপন মিয়া বলেন, বাজারে সবজির অভাব নেই। কিন্তু এতো দাম সবকিছুর! কিনতে এসে অনেক সময় ফিরেও যেতে হচ্ছে।

হাতিরপুল কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহজুড়েই সবজির দাম অনেক বেশি দিয়ে কিনে আনতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বেগুন গত সপ্তাহে কিনেছি ৬৫ টাকায়। আজ তা কিনতে হয়েছে ৭৫ টাকায়। তাই ৮০ টাকার নিচে বিক্রিও করতে পারছি না।

রাজধানীর রামপুরা মহানগরে ভ্যানে সবজি বিক্রেতা আলমগীর বলেন, সবজির দাম শুনে অনেকে ফিরে যাচ্ছেন। যারা আগে দুই-তিন কেজি করে সবজি কিনতেন, তারা এখন অল্প করে কিনছেন।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা নূর হোসেন বলেন, সবজির বাজারে কোনো সরকারি তদারকি নেই। পাইকারিতে যে যেমন পারছেন দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি খুচরা বিক্রি করি। পাইকারিতেই বাড়তি দাম কিনতে হয়, খুচরায় লোকসান দিয়ে আর বেচতে পারি না।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর