আপনি পড়ছেন

মাঝে মাঝেই আমাদের ঘাড়ে ব্যথা অনুভব হয়। এটা নানা কারণে হতে পারে। ভারি কিছু তুলতে গিয়ে যেমন হতে পারে, তেমনি হতে পারে বিছানায় বেকায়দায় শুয়ে থাকার কারণে। এছাড়া দীর্ঘক্ষণ নিচের দিকে ঝুঁকে বই পড়লেও ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। আর অনেক সময় ধরে কম্পিউটার চালালে যে ঘাড় ব্যথা হবে এটা তো জানা কথাই।

neck pain 1

ঘাড়ে ব্যথা হলে সাধারণত অন্যান্য কাজ আর ভালো মতো করা যায় না। এই ব্যথা আপনার প্রতিদিনকার কাজে বিঘ্ন ঘটাবেই। ওষুধ খেয়েও অনেক সময় কোনো কাজ হয় না। সেক্ষেত্রে ঘাড় ব্যথাকে সবসময়ের জন্য বিদায় জানাতে প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম নিয়ম মেনে করতে থাকুন।

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মাথা যতোটুকু সম্ভব পেছনে হেলান। তারপর ধীরে ধীরে থুতনি দিয়ে বুক ছোঁয়ার জন্য সামনের দিকে মাথা আনুন। মাটির দিকে তিন সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। তারপর আবার প্রথম অবস্থায় ফিরে যান। এভাবে প্রতিদিন অন্তত পাঁচবার করুন। ঘাড় ব্যথা দৌঁড়ে পালাবে।

সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মাথা ধীরে ধীরে পেছনে হেলান। যেনো ঘরের সিলিঙের দিকে তাকাতে পারেন। তবে অবশ্যই সাবধানে ধীরে ধীরে। না হয় ঘাড়ে ব্যথা পেতে পারেন। ঘাড় পেছনে নিয়ে তিন সেকেন্ড সিলিঙের দিকে তাকিয়ে থাকুন। তারপর আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে পাঁচবার করুন।

আবার সোজা হয়ে দাঁড়ান। সামনে তাকিয়ে মাথা ধীরে ধীরে ডান দিকে ঘোরান। শুধু মাথাই ঘুরবে, কাঁধ নয়। তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। তারপর আবার প্রথম থেকে শুরু করুন। গুণে গুণে পাঁচ বার করুন।

এবার ঠিক এর উল্টো সমানসংখ্যকবার বাম দিকে করুন। অর্থাৎ মাথা বাম দিকে ঘুরিয়ে তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।

সোজা হয়ে দাঁড়ান। ডান কান দিয়ে ডান কাঁধ ছোঁয়ার একটা চেষ্টা চালিয়ে যান। গুণে গুণে এটিও পাঁচবার করুন। তারপর এর ঠিক উল্টোটা করুন। অর্থাৎ বাম কান দিয়ে বাম কাঁধ ছোঁয়ার চেষ্টা করুন।

এভাবে প্রতিদিন ঘাড়ের ব্যায়াম করলে ঘাড়ের মাসলের মধ্যে এক ধরণের ফেক্সিবলিটি আসবে। ফলে ঘাড় ব্যথা হবে না সহজে।

তবে এই ব্যায়াম করতে গিয়ে উল্টো ঘাড় ব্যথা শুরু হলে ব্যায়াম বন্ধ করে দেওয়াই ভালো।