advertisement
আপনি দেখছেন

আহমেদ মোহাম্মদের কথা মনে আছে? ওই যে ১৪ বছরের ছেলেটা, টেক্সাসের এক স্কুলে যাকে বোমা তৈরির জন্য সন্দেহ করে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। আসলে যা ছিলো একটি ঘড়ি। সেই আহমেদ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে সাক্ষাতের ২৪ ঘণ্টা পর তার পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টেক্সাস ছেড়ে কাতারে চলে যাওয়ার।

চলতি মাসের শুরুর দিকে আহমেদের বাবা পুরো পরিবার নিয়ে কাতারে ঘুরে এসেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্ত খুব সম্ভবত তখনই নিয়ে রেখেছিলেন। যা বোঝা যাচ্ছে তার কথাতেই। আহমেদের বাবা বলেন, ‘আমরা এমন একটা জায়গায় যাবো, যেখানে আমার সন্তানেরা আরো মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা এবং নিজেদের সৃষ্টিক্ষমতার ব্যবহার করতে পারবে এবং সে দেশ থেকেও সমর্থন পাবে।’

আহমেদর ১৯ বছর বয়সী বোন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, কাতারের একটি প্রতিষ্ঠান তরুণ উদ্যোক্তাদের একটি প্রস্তাবের আওতায় তাদেরকে সেখানে যেতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। মূলত এ কারণেই টেক্সাস ছেড়ে সেখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার বাবা।

গত মাসে আহমেদকে গ্রেপ্তার করার পর পুরো বিশ্বে হৈচৈ পড়ে যায়। টেক্সাস পুলিশের সমালোচনায় মুখর হয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সাথে এই কথা রটে যায় যে, কেবল মাত্র মুসলিম বলেই আহমেদকে এই বিপদে পড়তে হয়েছে। ঘটনার পরপর নিজের স্কুল ছেড়ে দেয় আহমেদ। সে অন্য স্কুলে ভর্তি হয়।

আহমেদকে ভুল করে গ্রেপ্তার করার পর ছেড়েও দেয় পুলিশ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ আহমেদকে আমন্ত্রণ জানায়। এ সপ্তাহের মাঝামাঝি বারাক ওবামার আমন্ত্রণে সাড়া দেন আহমেদ। কিন্তু প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার বাবা কেনো টেক্সাস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

সিরিয়ার আকাশে সংঘর্ষ এড়াতে রুশ-মার্কিন চুক্তি

কাশ্মীরের বিধায়ক রশিদের মুখে কালি ছুঁড়লো ‘হিন্দু সেনা’

‘ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশের এক হওয়া উচিত’