advertisement
আপনি দেখছেন

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, লিবিয়ায় তুর্কি হস্তক্ষেপের কারণে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) সব পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়েছে। দেশটির রাজধানী ত্রিপোলিকে ঘিরে তার সব আশা নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ওই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।

turkish president recep tayyip erdogan 01তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান

মিডেল ইস্ট মনিটরের বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি তুরস্কভিত্তিক একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তুর্কি সমর্থন পেয়ে গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ত্রিপোলি থেকে বিদ্রোহীদের উচ্ছেদ করতে সক্ষম হয়েছে এবং তা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্ভব হয়েছে। এই পদক্ষেপ দেশটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে এসেছে।

এরদোয়ান বলেন, তুরস্কের দৃঢ়তা হাফতারের ও তার বাহিনীর সব পরিকল্পনা ধূলিস্মাৎ করে দিয়েছে। এতে লিবিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। তাছাড়া আমাদের সমর্থনের কারণে আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্কের আরো উন্নতি হবে।

turkish president recep tayyip erdogan and libyan prime minister fayez al sarrajএরদোয়ান (ডানে) ও জিএনএ'র প্রধানমন্ত্রী ফয়েজ আল-সারাজ (বামে)

তিনি বলেন, আমি ওই অঞ্চলে আশান্তি চাই না। আঙ্কারা সব সময় মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের অঞ্চলে শান্তি স্থায়ীকরণে প্রস্তুত। এর জন্য যেকোনো যৌক্তিক আলোচনায় আমরা যেতে পারি।

লিবিয়ায় ক্ষমতা দখল নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই এলএনএ ও জিএনএ লড়াই করে আসছে। এলএনএ-কে সমর্থন দিচ্ছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর। দীর্ঘ এই লড়াইয়ের মোড় ঘুরে যায় গত মে মাসে তুর্কি কর্তৃক জিএনএকে সমর্থন দেয়ার পর। ওই সমর্থন প্রাপ্তির পর একের পর এক অভিযান চালায় জিএনএ এবং এলএনএ’র দখলে থাকা বেশ কয়েকটি অঞ্চল নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নেয়।

sheikh mujib 2020