advertisement
আপনি পড়ছেন

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোয় জাতিগত শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে অন্তত ২৫০ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কাসাই রাজ্যে এ অভিযান চালানো হয়। নিহত ২৫০ জনের মধ্যে ৬২ জনই শিশু। কঙ্গোতে জাতিগত এ শুদ্ধি অভিযানের খবর নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার।

Congos killing race

গত মার্চ থেকে জুন মাসের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। দেশটির সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠী ‘কামুইনা সাপুমিলিশিয়া’ বাহিনী হামলা চালিয়ে এসব নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে। বিদ্রোহীদের দমনের জন্য গঠিত সরকারী বাহিনীর হাতেও নিহত হয়েছে কিছু মানুষ।

কঙ্গোতে এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন। প্রাণ বাঁচাতে কঙ্গোর কাসাই এলাকা থেকে প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলায় পালিয়ে যাওয়া শরণার্থীদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দেশটিতে গৃহযুদ্ধের কারণে অন্তত ১৩ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে শরণার্থী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া আরো ৪০ হাজারেরও অধিক মানুষ প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলায় পালিয়ে গেছে। গৃহযুদ্ধের ফলে কঙ্গোর কাসাই এলাকায় অন্তত ৮০টি গণকবর রয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে চলছে।’

জেইদ রা’দ আল-হুসেইন তার প্রতিবেদনে কঙ্গো সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘কঙ্গো সরকারের উচিত এ ধরনের জাতি নিধনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সে ব্যবস্থা নেয়া।’ একইসাথে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ত্যাগ করে শান্তির প্রতি ফিরে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।