আপনি পড়ছেন

নিজেদেরকে আমরা যেমন আকর্ষণীয় করে সাজাতে বেশ আগ্রহী ঠিক তেমনি বাসার রুমও চাই আকর্ষণীয় সজ্জিত। রুমের ফার্নিচার, দেয়ালের কালার, ফ্লোর কিংবা সিলিং সবখানেই জৌলুস ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা লেগেই থাকে। বাদ পড়ে না দরজা-জানালার পর্দাতেও।

curtain design

শৌখিন মানুষ রুমের সাজ-সজ্জায় ব্যবহার করেন বাহারি ডিজাইনের পর্দা আর পর্দার কাপড়েও আনেন বৈচিত্র্য। অনেকে আবার ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের সাহায্যও নিয়ে থাকেন। এতে যেমন প্রকাশ পায় রুচি তেমনি সৃজনশীলতাও। বাড়িও হয়ে উঠে বেশ আকর্ষণীয়।

ড্রয়িং থেকে ডাইনিং, সব রুমের ও ফার্নিচারের সাইজ বুঝে, দেয়াল-ফার্নিচারের রঙের সাথে ম্যাচ করে পর্দা অর্ডার করুন। আবহাওয়া বুঝে দুই সেট পর্দা বানিয়ে নিলে ভাল হয়। মূলত গরমকাল ও শীতকালের জন্য। গরমের জন্য বাছাই করুন হালকা রঙের পাতলা পর্দা এতে বাতাস চলাচল সহজ হবে যার ফলে গরমে পাবেন স্বস্তি।

আর শীতে পর্দা অপেক্ষাকৃত মোটা বা ভারী কাপড়ের ও গাঢ় রঙের হওয়া উচিত। কারন এ সময় ধুলোবালি বেশী হয় তাই পর্দা ময়লা হলেও বুঝা যাবে না আর রুমে ঠাণ্ডাও লাগবে কম।

টিপস
  • বাসায় দেশীয় আমেজ আনতে চেক, ব্লক, বাটিক ও নকশি কাঁথার পর্দা সিলেক্ট করুন।
  • বাসার যে পাশে আশেপাশের বিল্ডিং নেই ও প্রচুর আলো-বাতাস আসে সেদিকের দরজা-জানালায় হালকা রঙের নেটের পর্দা ভাল লাগবে।
  • বাচ্চাদের রুমের পর্দায় কার্টুন, ফুল, প্রজাপতি বেশ মানাবে।
  • সব রুমে একই রকম পর্দা লাগাবেন না, সব দরজায় এক রকম আর সব জানলায় আরেক রকম পর্দা লাগান, আর ড্রইং ও ডাইনিংয়ের পর্দায় আনুন বৈচিত্রতা। 
  • সিলিং উঁচু হলে মেঝ সমান পর্দা লাগান। ছয় মাস পর পর পর্দা ধোবেন এবং কাপড়ের ধরণ অনুযায়ী ক্লথ কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
  • প্রতিদিন বা একদিন পর পর ভেজা কাপড়ে গ্রিল ও শুকনা কাপড়ে ফার্নিচার মুছে নিলে পর্দা কম ময়লা হয়। চাইলে প্রতিদিন ব্রাশ দিয়ে গ্রিল ও ফার্নিচার হালকা ঝেড়ে নিতে পারেন এতে আপনার বাসা দেখাবে ঝকঝকে।

 

আপনি আরও পড়তে পারেন

ঘরের রঙে প্রভাবিত হবে আপনার মন

ঘর সাজান শখের গাছ দিয়ে

পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে রেহাই