advertisement
আপনি দেখছেন

মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে আসছে চীন। স্বশাসিত অঞ্চলটিতে সাম্প্রতিক সময়ে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

china vs taiwanচীন ও তাইওয়ানের পতাকা

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাইওয়ানের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান মোতায়েনসহ চারপাশে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে চীন। এমন অবস্থায় যুদ্ধ বাঁধলে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার হুমকি দিয়েছেন অঞ্চলটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ।

চীনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার স্পষ্ট ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে বুধবার তিনি বলেন, নিজেদের রক্ষায় প্রশ্নাতীতভাবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আমরা। যুদ্ধ হলে, লড়াইয়ের দরকার হলে একেবারে শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করবো।

চীন-তাইওয়ানের সামরিক উত্তেজনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন জানিয়ে জোসেফ উ বলেন, মার্কিন নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে সীমিত বোঝাপড়ায় সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি স্পষ্ট প্রতীয়মান হচ্ছে।

chinese war plane thailandচীনা যুদ্ধবিমান, ফাইল ছবি

এর আগে গত সোমবার চীনের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, তাইওয়ান দ্বীপের কাছে যুদ্ধবিমানবাহিনী রণতরীর মহড়া চলছে। তবে মহড়ার বিস্তারিত বিষয় প্রকাশ করেনি বেইজিং।

তবে অঞ্চলটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করে, তাদের আকাশসীমায় ১২টি যুদ্ধবিমানসহ অন্তত ১৫টি চীনা বিমান শনাক্ত করা হয়েছে। এসব বিমানকে বাধা দিতে ও সতর্ক করতে একটি যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।

china us in taiwanতাইওয়ানে চীন-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্ব, ফাইল ছবি

প্রসঙ্গত, গত বছর চীনের ওপর চাপ বাড়াতে তাইওয়ানকে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দেয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ১০০টি হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র বা কোস্টাল ডিফেন্স সিস্টেম বিক্রির বিষয়টি অনুমোদন করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তাইওয়ান উপকূলে বিপুল সংখ্যক সেনা ও অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র মোতায়েন করে বেইজিং। পুরনো ডিএফ-১১এস ও ডিএফ-১৫এস মিসাইল সরিয়ে অত্যাধুনিক ডিএফ-১৭ হাইপারসনিক মিসাইল বসানো হয়।