advertisement
আপনি পড়ছেন

যুক্তরাজ্য কর্তৃক সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পর স্মরণকালের ইতিহাসে হামাস সবচেয়ে বেশি সংগঠিত হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। হামাস প্রতিরোধ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়ার একজন মিডিয়া উপদেষ্টা গতকাল শনিবার এই তথ্য দিয়েছেন। আবনা নিউজ।

ismail hania 1ইসমাইল হানিয়া

ওই উপদেষ্টা বলেন, কয়েক দশক ধরে চলা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জাতির প্রচেষ্টার মধ্যে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা আসল। এটা প্রমাণ করে আরব বিশ্বে প্যালেস্টাইনপন্থী অবস্থানগুলো আরও শক্তিশালী হয়েছে। ইসমাইল হানিয়ার আহ্বানে নেতাকর্মীরা উজ্জীবীত হয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের সংসদ হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদনের একদিন পর হামাস প্রধানের উপদেষ্টা তাহের আল-নুনু এসব তথ্য দিলেন। বিতর্কিত এই নিষেধাজ্ঞার কারণে হামাসের সদস্য বা যারা প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে সমর্থন করে তাদের ১৪ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

hamas kornet missileমিসাইল নিয়ে হামাস যোদ্ধার অবস্থান

নুনু বলছেন, সন্ত্রাসী তকমাটি হামাসের ওপর ব্রিটেনের চাপের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং তারা ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। ইসরায়েলি লবির চাপের মুখে যুক্তরাজ্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে। লন্ডন কর্তৃক হামাসবিরোধী অবস্থান ঘোষণার অর্থ দাঁড়ায়, তারা দখলদার ইহুদিবাদী শাসনকে জোর সমর্থন করে।

হামাস উপদেষ্টা বলছেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশেষ করে আরব দেশগুলোতে হামাসের অবস্থানের সর্বোচ্চ সংহতির জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন হানিয়া। হামাস তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবে না এবং ব্রিটিশ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করবে।

খবরে বলা হচ্ছে, হামাসের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনে অগ্রগতি লাভ করেছে। তবে ইহুদিবাদী শাসকরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে রয়েছেন। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ক্রিয়াকলাপগুলো অবৈধ, কারণ সেগুলো আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকারের পরিপন্থী। ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পেতে বদ্ধপরিকর।

১৯ নভেম্বর ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল ওয়াশিংটন ডিসিতে ডানপন্থী হেরিটেজ ফাউন্ডেশন থিঙ্ক ট্যাঙ্কের আলোচনায় হামাসকে সম্পূর্ণরূপে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করেন। যুক্তরাজ্য এর আগে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডকে নিষিদ্ধ করেছিল। এখন মূল সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার সাথে যোগ দিল তারা।